গ্যালারি

আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্ব (পর্ব: ১)

লেখক : আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান সম্পাদনা : কাউসার বিন খালেদ সমকালীন চৈতন্য জগতে, চিন্তাশীল ব্যক্তিমাত্রই, দৃষ্টিপাত করে লক্ষ্য করবেন, এবং বিমূঢ় হবেন যে, বোধ, চেতনা এবং চিন্তায় ব্যাপক পতন—উদ্দিষ্ট মর্মের তোয়াক্কা না করেই যত্রতত্র ব্যাখ্যা করা হচ্ছে বিভিন্ন শব্দের। এ … বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব – ২

This gallery contains 2 photos.

তাকওয়া ও মুত্তাকী শব্দের বিপরীতে পবিত্র কুরআনে যেসব শব্দের ব্যবহার রয়েছে সেগুলোর অর্থ ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করলেও তাকওয়ার স্বরূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাকওয়া শব্দের বিপরীতে ব্যবহৃত শব্দগুলো হলো: (ক) কুফর: ‘কুফর’ অর্থ হচ্ছে আল্লাহর অস্তিত্বে অবিশ্বাস করা, তাঁকে স্বীকার না … বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব -১

This gallery contains 2 photos.

একজন মুসলিমের সামাজিক জীবনমানের অপরিহার্য ও অনিবার্য গুণ হল তাকওয়া। এর অর্থ বেঁচে থাকা, সাবধানতা অবলম্বন করা ও ভয় করা। সাধারণত যে বোধ মানবীয় সহজাত প্রবৃত্তি (নফস) মানুষকে অন্যায়, অশ্লীল, খারাপ ও অনিষ্টিকর কথা, কাজ ও চিন্তা থেকে বিরত রাখে মুলত সেটাই হচ্ছে তাকওয়া। আর এ তাকওয়াই সমাজে মানবতাবোধ, নীতিবোধ ও মূল্যবোধ নামে পরিচিত। উঁচু-নিচু, ধনী-গরীব, সাদা-কালো নির্বিশেষে যে কোন মুসলিম নারী পুরুষ তাকওয়া অবলম্বন করে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক তথা সামগ্রিক জীবন পরিচালনা করেন, তিনি ইসলামের দৃষ্টিতে মু্ত্তাকী নামে পরিচিত। মানুষের জীবনে সাফল্য অর্জনে তাকওয়ার প্রভাব অনবদ্য ও অপরিমেয়। বিশেষ করে সকল মুসলিমের সমাজ জীবনে তাকওয়ার সুদূর প্রসারী প্রভাব অনস্বীকার্য। সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়নে তাকওয়া তথা সুস্থ মানসিকতা, মননশীলতা ও আল্লাহ ভীতির কোন বিকল্প হয় না। বর্তমান প্রবন্ধে উপর্যু্ক্ত দিকগুলোর পযালোচনা কুরআন, সুন্নাহ ও যুক্তির আলোকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

মুল্যবান উপদেশ – ইমাম সুফিয়ান আস-সাওয়ারী ( রাহিমাহুল্লাহ)

This gallery contains 1 photo.

ইমাম সুফিয়ান (রাহিমাহুল্লাহ ) বলেন: সর্বাবস্থায়  সত্য কথা বল। মিথ্যা বলা ও প্রতারণা থেকে বিরত থাক এবং মিথ্যাবাদী ও প্রতারকদের সাথে মেলামেশা করবে না কারণ এইসবই পাপ কাজ। প্রিয় ভাই, কথাবার্তা বা কাজকর্মে রিয়ার (লোক দেখানো নেক আমল) ব্যাপারে সাবধান … বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

জীবনের প্রতি বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা এবং এর ক্ষতিকর দিকসমূহ

This gallery contains 1 photo.

জীবনের প্রতি দু‘টো দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত রয়েছে। একটি হলো বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি অপরটি হলো সঠিক (ইসলামী) দৃষ্টিভঙ্গি। এ উভয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব মানব জাতির মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি হলো- মানুষের সমস্ত চিন্তা-চেতনা পার্থিব ও তাৎক্ষণিক ভোগ-বিলাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং সকল চেষ্টা সাধনা ও পরিশ্রম কেবল এ উদ্দেশ্যেই ব্যয় করা। এসবের পরিণাম কি হতে পারে সে ব্যাপারে তার কোনই চিন্তা ভাবনা থাকে না এবং সে জন্য সে কোন কাজও করে না। পরন্তু এদিকে তার কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। সে এও জানে না যে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার এ জীবনকে আখেরাতের ক্ষেত হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

শয়তান : মানুষকে বিপথে পরিচালিত করতে শয়তানের গৃহীত পদক্ষেপ – ২

শয়তান বিভিন্ন পন্থায় তার কাজ চালিয়ে যায়। এমনকি অনেক মুসলিম শয়তানের মিত্র হিসেবে কাজ করছে অথচ তারা এ বিষয়ে সচেতন নয়। শয়তান এক গভীর ষড়যন্ত্রকারী। সকল খারাপ কাজই শয়তানের কুমন্ত্রণার ফসল। শয়তানের এসব খারাপ কাজ সম্পর্কে আল্লাহ্‌ ঠিকই অবহিত আছেন। তাই আল্লাহ্‌ ও মুমিনদের কাছে এসব ষড়যন্ত্র খুবই দুর্বল: বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালারি

শয়তান : মানুষকে পথভ্রষ্ট করার ক্ষেত্রে তার বিভিন্ন প্রন্থা – আবু ইয়াদ -১

শয়তান কে? শয়তান বলে কি বাস্তবে কিছু আছে? নাকি এটা একটা নিছক কল্পনা? নাকি সমাজে প্রচলিত কোন গাল-গল্প? মূলতঃ এটা আমাদের আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জ্বিনকে বিশ্বাস করা অদৃশ্যে বিশ্বাসের একটি অংশ। এবং একজন মুসলিমের ঈমান পূর্ণতা পায় না যতক্ষণ পর্যন্ত না সে এই অদৃশ্য বিষয়ে বিশ্বাস করে। যদিও বা এই অদৃশ্য বিষয় তার বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তার সাথে খাপ না খায়। জ্বিনের অস্তিত্ব কোরআন শরীফ ও হাদীস দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত। বিস্তারিত পড়ুন

অন্তরের কাঠিন্য – ডঃ আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস পর্ব -২

[পূর্ব প্রকাশিতের পর……..এর আগের লেখাটা রয়েছে এখানে: http://wp.me/p10itM-3k]

এ জীবনে সবচেয়ে উপকারী বস্তু হচ্ছে একটি কোমল হৃদয়। আমরা হৃদয়ের কোমলতা অর্জনে চেষ্টা করবো। কারণ এছাড়া সবকিছুই অর্থহীন ও অপ্রয়োজনীয় হয়ে যাবে। কিভাবে আমরা তা অর্জন করতে পারি ?এটা কোন গোপন বিষয় নয়। এমন কিছু নয় যা অল্প কিছু মানুষ জানে এবং বিশেষ অধিবেশনে এবং জমায়েতে শুধু তা জানানো হয়। যেমন নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : “আমি তোমাদের রেখে যাচ্ছি পরিষ্কার সাদা সমতলে, যার দিন তার রাত্রির মতই। যে কেউ তা থেকে বিচ্যুত হবে, সে ধ্বংস হয়ে যাবে।” তাঁর পথ আমাদের কাছে স্পষ্ট করে দেয় কিভাবে আমরা হৃদয়ের কোমলতা অর্জন করব।

প্রথম পদ্ধতি – দুআ

প্রথম উপায় হচ্ছে দুআ করা।হৃদয়কে কোমল করে দেওয়ার জন্য ও তা দয়ায় পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে চাওয়ার মতো কার্যকরী আর কিছু নেই। এটাই তাঁর ওয়াদা যখন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যে, “আল্লাহ কে ডাক নিশ্চিত হয়ে যে তিনি তোমার ডাক শুনবেন, কিন্তু একই সাথে জেনে রাখো যে আল্লাহ উদাসীন অন্তেরর দুআ কবুল করেন না।” কিন্তু তাতে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। যদি আমরা শুধু হাত তুলে বলি, “হে আল্লাহ, আমার হৃদয় কোমল করো!” এবং অন্তর থেকে না চাই, তাহলে এটা মৌখিক চাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়! বিশুদ্ধ চিত্তে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে, তিনি অন্তরকে কোমল করে দেবেন, “আমাকে ডাক এবং আমি তোমাদের ডাক শুনি।” কুরআনের ভাষায়:

“আমার বান্দারা যখন তোমাকে আমার সম্পর্কে প্রশ্ন করে, আমি নিঃসন্দেহে তাদের কাছেই আছি : আমি প্রত্যেক আহ্বানকারীর আহ্বানে সাড়া দেই যখন সে আমাকে ডাকে ; তারাও যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমাকে বিশ্বাস করে ; যাতে তারা সঠিক পথের অনুসারী হয়।” (সূরা আল বাক্বারাহ, ২ : ১৮৬)

নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাদের জীবনে আমরা যে বহু ঘটনার উদাহরণ পাই, তা একথাই প্রমাণ করে যে শুধু আল্লাহই অন্তেরর পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম। আমরা উমর বিন খাত্তাবের (রা) ঘটনাটি চিন্তা করি।

নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং ইসলামের প্রতি তাঁর মনোভাব এত কঠোর ছিল যে একদিন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করার জন্য বের হন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর প্রচেষ্টা ও ইসলামের প্রসারে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে তিনি নিজেই ব্যাপারটার একটা নিষ্পত্তি করে ফেলতে চাইলেন। খোলা তলোয়ার হাতে বেরিয়ে গেলেন। পথে একজনের সাথে দেখা হলো, যিনি প্রথমে তাঁকে তাঁর বোনের ব্যাপারে খোঁজ নিতে বললেন। বিস্মিত হয়ে তিনি বোনের বাড়িতে গেলেন, দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে বোনকে ও বোনের স্বামীকে প্রহার করে রক্তাক্ত করলেন। তারপর তিনি থামলেন ও দেখলেন তিনি কি করেছেন। ঘরে প্রবেশের পূর্বে তিনি কুরআনের কিছু অংশ শুনেছিলেন এবং তা তাঁর মনকে স্পর্শ করেছিল, কিন্তু তাঁর ক্রোধ সেই ভাবকে অন্তের স্থায়ী হতে দেয়নি। যখন তিনি বোনকে আঘাত করলেন এবং রক্ত প্রবাহিত হল, তাঁর চেতনা ফিরে এল। যা তিনি পূর্বে শুনেছিলেন তা তাঁর অন্তরকে নাড়া দিল। তিনি সেটা আবার শুনতে চাইলেন এবং কুরআনের কিছু অংশ তাঁকে পড়ে শোনানো হলো। তিনি বদলে গেলেন। তাঁর আমূল পরিবর্তনের জন্য এটাই যথেষ্ট ছিল। ইনিই উমর। আরেকবার, অন্য কোন সময়ে সাহাবারা তাঁকে দেখলেন তিনি বারবার হাসছেন, তারপর কাঁদছেন। তাঁরা তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন : “আমার মনে পড়েছিল জাহেলী যুগে আমার একটি দেবতা ছিল খেজুরের তৈরি। একদিন আমি এত ক্ষুধার্ত হলাম যে তার একটি টুকরা খেয়ে ফেললাম। তারপর আমি কাঁদছিলাম আমার কন্যার কথা মনে করে যাকে আমি জ্যান্ত কবর দিয়েছিলাম। যখন আমি তাকে গর্তে নামিয়ে দিচ্ছিলাম, সে আমার দাড়িতে লেগে থাকা ধূলা ঝেড়ে দিচ্ছিল।” এবং তিনি তাকে জ্যান্ত কবর দিয়েছিলেন। এটাই ছিল তখনকার রীতি—যারা কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়াকে অসম্মানজনক মনে করে তাকে হত্যা করতো। তাঁর হৃদয় তখন কত কঠিন ছিল—কত কঠিন সেটা হতে পেরেছিল কন্যাটিকে জীবন্ত পুঁতে ফেলার সময়। কিন্তু তাঁর হৃদয় পরিবর্তিত হয়েছিল। এতখানি যে উমর যখন সালাতে ইমামতি করতেন, কান্নায় তাঁর কন্ঠ এমনভাবে আটকে যেত যে এমনকি তৃতীয় সারি থেকেও লোকে তাঁর কান্নার আওয়াজ শুনত। ইনিই ছিলেন উমর, এমন একজন যিনি এত কঠোর, এত শক্তিশালী, এত সাহসী ব্যক্তি… কিন্তু ইসলাম গ্রহণের সাথে সাথে তাঁর হৃদয় পরিবর্তিত হয়ে গেল। তাই আমাদের উচিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর উপদেশ মত আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া, তাঁর কাছে কোমল হৃদয় চেয়ে দুআ করা এবং নির্ভীক হৃদয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। এই একই দুআয় তিনি আল্লাহর কাছে এমন চোখ থেকে আশ্রয় চাইতেন যা অশ্রুসিক্ত হয় না, যা কখনো কাঁদে না।

বিস্তারিত পড়ুন

অন্তরের কাঠিন্য – ডঃ আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস পর্ব -১

হালাল ও হারাম সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত হাদীসে  মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্তেরর গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন :
“আমাদের শরীরে এমন একটি মাংস পিণ্ড রয়েছে যা সুস্থ থাকলে সারা শরীর সুস্থ থাকে আর যা অসুস্থ হলে সারা শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেটি হচ্ছে হৃদয়।” [সম্পূর্ণ হাদীসটি হচ্ছে : আন-নু’মান বিন বাশীর কর্তৃক বর্ণিত : আমি আল্লাহ’র রাসূলকে বলতে শুনেছি, “হালাল ও হারাম উভয়েই স্পষ্ট, কিন্তু এ দুটির মাঝখানে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয়সমূহ যা অধিকাংশ লোকই জানেনা। সুতরাং যে নিজেকে সন্দেহজনক বিষয় থেকে বাঁচিয়ে চলে, সে তার দ্বীন ও সম্মানের সংরক্ষণ করে। আর যে সন্দেহজনক বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে, তার উদাহরণ হচ্ছে সেই রাখালের মত যে তার মেষপাল চরায় কোন সংরক্ষিত চারণভূমির কাছাকাছি এমন ভাবে যে, যে কোন মুহূর্তে সে তাতে প্রবেশ করবে। (হে লোকসকল!) সাবধান! প্রত্যেক বাদশাহরই একটি সংরক্ষিত সীমানা আছে এবং আল্লাহর সংরক্ষিত সীমানা হচ্ছে তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। সাবধান! আমাদের শরীরে এমন একটি মাংস পিণ্ড রয়েছে যা সুস্থ (পরিশুদ্ধ) থাকলে সারা শরীর সুস্থ থাকে, কিন্তু যদি তা কলুষিত হয়ে যায় সারা শরীর কলুষিত হয় এবং সেটি হচ্ছে হৃদয়।”] (বুখারী, প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় পুসক্ত , ৪৯ নং হাদীস)

কথাটি তিনি বলেছেন, প্রথমে একথা ব্যাখ্যা করার পর যে হালাল স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট এবং এদের মাঝখানের ক্ষেত্রটি অস্পষ্ট যা অনেকেই জানেনা। যাহোক, যা একজন মানুষকে হারাম থেকে বাঁচতে ও হালাল অবলম্বন করতে সাহায্য করে তা হচ্ছে জ্ঞান ; এবং জ্ঞান ছাড়া আর যা একাজটি করতে পারে, তা হচ্ছে অন্তেরর অবস্থা। যদি অন্তর পরিশুদ্ধ হয়, জ্ঞানকে ব্যবহার করে তা হারাম এড়িয়ে চলতে পারে। যদি তা কলুষিত হয়, জ্ঞান কোন উপকারে আসে না এবং মানুষ নিষিদ্ধ বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে।

বিদায় হজ্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাদের ও অনাগত মুসলিম জাতিসমূহের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে, কোন অনারবের উপর কোন আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই ; কালোর উপর সাদার কোন প্রাধান্য নেই, কিন্তু আল্লাহর দৃষ্টিতে সেই শ্রেষ্ঠ যে আল্লাহকে ভয় করে – যে তাকওয়া অর্জন করেছে। এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার পর তিনি বলেন, “তাকওয়ার অবস্থান হচ্ছে আমাদের অন্তের।” এটি এবং অনুরূপ আরো বক্তব্যে অন্তেরর উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে – যাকে আল্লাহ তাঁর সৃষ্ট অন্য সব অঙ্গের উর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।
বিস্তারিত পড়ুন